পটিয়ায় মসজিদের ওয়াকফ জায়গা বিক্রয়, হস্তান্তর ও রূপ পরিবর্তন না করার আদালতের নিষেধাজ্ঞা জারি

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার ঐতিহ্যবাহী আলম শাহ মসজিদের জায়গার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালত। ওয়াকফ সম্পত্তি কতিপয় লোকজন বেআইনিভাবে বিক্রয়, হস্তান্তর ও রূপ পরিবর্তনের কারণে আদালত এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

এছাড়াও উক্ত বিরোধীয় জায়গা ক্রয় বিক্রয় নিয়ে প্রায় সময় সংঘর্ষ হানাহানির মতন বহু ঘটনা ঘটছে।


এ সংক্রান্তে মোতোয়াল্লী কমিটির সদস্য সেলিম উদ্দীনের এক আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন। আদালতের মামলা সূত্রে জানা যায়, পটিয়া পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে আলম শাহ নামের এক ধনাঢ্য ব্যক্তি একটি মসজিদ নিমার্ণ করেন এবং তার সমুদয় সম্পত্তি মসজিদের নামে ওয়াকফ করে দেন।

১৯৩০ সালে তার পুত্র হোসেন আহম্মদ ও দুদু মিয়াকে মোতায়াল্লী নিযুক্ত করে সম্পত্তির দলিল তাদের বরাবরে হস্তান্তর করে। মসজিদের নামের জমিগুলোতে চাষাবাদ করে আয়ের অংশ দিয়ে মসজিদের খতিব, ইমাম, মোয়াজ্জিনের বেতনসহ যাবতীয় খরচ বহন করে আসছে।

ওয়াকফ দলিলে উল্লেখ রয়েছে এ সম্পত্তি কোন ধরণের বিক্রয় ও হস্তান্তর করা যাবে না। কিš‘ শর্ত ভঙ্গ করে আলম শাহ এর কতিপয় ওয়ারিশ সম্পত্তি বিক্রয় ও হস্তান্তর করার ফলে দীর্ঘদিন সংঘর্ষ হানাহানি লেগে আছে দীর্ঘদিন ধরে। এনিয়ে বিগত কয়েক বছরে অনাকাঙ্খিত অনেক ঘটনা ঘটে বলে মামলার বাদী সেলিম উদ্দীন শিকার করেন।

সম্প্রতি ওয়ারিশ পক্ষের সাইফুদ্দীন খালেদ নামের কয়েকজনের মধ্যে একটি হেবা হস্তান্তর দলিল নিয়ে বিরোধ হলে মৃত ছালে আহমেদ এর পুএ মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন গং প্রতিকার প্রার্থনা করে আদালত একটি মামলা দায়ে করেন এবং মামলার আবেদনের প্রেক্ষিতে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অন্তবর্তী কালীন এ নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।

চগমসজিদের ওয়াকফ সম্পত্তি কোন ধরণের বিক্রয় হস্তান্তর ও রূপ পরিবর্তন না করার জন্য নিষেধাজ্ঞায় উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়ে মামলার বাদী জানান, আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবে সে সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত, আমরা আশাবাদী আদালতে আমরা ন্যায় বিচার পাব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *